ই-রিটার্ন · জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

ই-রিটার্ন: বাংলাদেশে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন

ই-রিটার্ন হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনলাইন আয়কর রিটার্ন। অফিসিয়াল পোর্টাল etaxnbr.gov.bd। এই ডেস্কে আপনি ব্যক্তির রিটার্ন (আইটি-১১গ) তৈরি করেন, কর হিসাব দেখেন এবং এনবিআর-ধাঁচের এক্সেল নামান — তারপর সেখানে দাখিল করেন।

সরকারি ও সিটি কর্পোরেশন সূত্র যাচাই করা হয়েছে 2026-08-17

ই-রিটার্ন কী?

ই-রিটার্ন (eReturn / e-return) বাংলাদেশের ডিজিটাল আয়কর রিটার্ন। ব্যক্তি করদাতা টিআইএন দিয়ে নিবন্ধন করেন, আয় ও আগে দেওয়া কর লেখেন, এবং সার্কেল অফিসে কাগজের আইটি-১১গ না দিয়ে অনলাইনে এনবিআরে জমা দেন।

এনবিআর ব্যক্তি করদাতাদের ই-ট্যাক্স পোর্টালে অনলাইনে রিটার্ন দিতে বলেছে। দাখিলের সরকারি সাইট etaxnbr.gov.bd। পুরনো secure.incometax.gov.bd এখনো ই-টিআইএন ও কিছু একাউন্ট কাজে লাগে।

অফিসিয়াল ই-রিটার্ন পোর্টাল ও এই ডেস্ক

এই ওয়েবসাইট জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নয়, etaxnbr.gov.bd-ও নয়। সরকারের কাছে দাখিল, কর পরিশোধ, রিটার্ন ভেরিফাই/পিএসআর এবং এক্সপ্রেস সনদ এনবিআরের সিস্টেমে হয়।

  • অফিসিয়াল দাখিল ও পরিশোধ: etaxnbr.gov.bd (ই-রিটার্ন, ই-ট্যাক্স পেমেন্ট, এক্সপ্রেস সনদ)।
  • অফিসিয়াল টিআইএন: secure.incometax.gov.bd (ই-টিআইএন নিবন্ধন ও টিআইএন সনদ)।
  • এই ডেস্ক: অঙ্ক সাজান, স্ল্যাব ও রেয়াত দেখুন, আইটি-১১গ ধাঁচের এক্সেল নামান। আমরা সনদ দিই না।

এই ডেস্ক কর সনদ দেয় না। ব্যাংক, পাসপোর্ট ও টেন্ডারে এনবিআর ই-রিটার্ন গ্রহণের পর অফিসিয়াল এক্সপ্রেস সনদ চায়।

কার ই-রিটার্ন দিতে হয়?

টিআইএন থাকলে এবং আয়কর আইনে রিটার্ন বাধ্যতামূলক হলে এনবিআর অনলাইন রিটার্ন চায়। চাকরিজীবী, বাড়িওয়ালা, ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার এবং যাদের আয়, সম্পদ বা নির্দিষ্ট লেনদেনে রিটার্ন লাগে — সবাই।

  • আপনার ১২ অঙ্কের টিআইএন আছে।
  • স্যালারি সনদ, বাড়ি ভাড়া, ব্যাংক সুদ, সঞ্চয়পত্র বা ব্যবসায়িক আয় আছে।
  • ব্যাংক, নিয়োগকর্তা, পাসপোর্ট বা টেন্ডারে কর সনদ বা স্বীকৃতিপত্র চেয়েছে।

ই-রিটার্ন খোলার আগে যে কাগজ রাখবেন

  • টিআইএন সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র (বা পাসপোর্ট)।
  • স্যালারি সনদ এবং আগে কর্তিত করের টিডিএস/চালান।
  • ব্যাংক, ডিপিএস ও সঞ্চয়পত্রের সুদ সনদ।
  • বাড়ি ভাড়া দিলে চুক্তি বা আদায়ের প্রমাণ।
  • রেয়াত চাইলে বিনিয়োগের প্রমাণ (ডিপিএস, জীবন বীমা, অনুমোদিত তহবিল)।
  • আগে রিটার্ন দিয়ে থাকলে গত বছরের স্বীকৃতিপত্র।

কীভাবে কাজ করে

  1. ধাপ 1

    ই-টিআইএন নিন

    টিআইএন না থাকলে অফিসিয়াল ই-টিআইএন সাইটে ১২ অঙ্কের নম্বর নিন।

  2. ধাপ 2

    অঙ্ক সাজান

    এই ডেস্কে আয়কর হিসাব ও আইটি-১১গ সাজান।

  3. ধাপ 3

    etaxnbr.gov.bd খুলুন

    লগ ইন করে ই-রিটার্ন ও কর বছর বেছে নিন।

  4. ধাপ 4

    দাখিল ও সনদ

    চাইলে বকেয়া কর দিয়ে এক্সপ্রেস সনদ নামান।

মানুষ আরও জানতে চায়

মানুষ আরও জানতে চায়

বাংলাদেশে ই-রিটার্ন কি বাধ্যতামূলক?

এনবিআর ব্যক্তি করদাতাদের কাগজের বদলে ই-ট্যাক্স/ই-রিটার্ন পোর্টালে অনলাইনে রিটার্ন দিতে বলেছে। আপনার কর বছরের সর্বশেষ আদেশ nbr.gov.bd-এ দেখুন।

এখানে ই-রিটার্ন তৈরি করে এনবিআরে দাখিল করা যায়?

হ্যাঁ। এখানে রিটার্ন শেষ করুন, খাতা চাইলে এক্সেল নামান, তারপর etaxnbr.gov.bd-এ একই অঙ্ক লিখে দাখিল করুন।

ই-রিটার্ন হটলাইন কী?

এনবিআর ই-রিটার্ন হটলাইন হিসেবে ০৯৬৪৩-৭১৭১৭১ প্রকাশ করেছে। nbr.gov.bd-এ মিলিয়ে নিন। এই ডেস্কের যোগাযোগ শুধু সফটওয়্যারের জন্য।

সম্পর্কিত গাইড

রিটার্ন শুরু করুন

ফ্রি একাউন্ট খুলুন, অঙ্ক লিখুন, এনবিআর-প্রস্তুত হিসাব নিয়ে etaxnbr.gov.bd-এ যান।

বাংলাদেশের করদাতাদের জন্য পাবলিক গাইড। ফি, তারিখ ও ফর্ম nbr.gov.bd ও etaxnbr.gov.bd-এ মিলিয়ে নিন। এই সফটওয়্যার শুধু কর হিসাব ও এক্সেল তৈরি করে। কোনো সনদ দেয় না।